পৃষ্ঠাসমূহ

কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মধ্যরাতের কবিতাঃ রাত প্রহরী

রাত প্রহরী/সুমন আজাদ

দেয়াল ঘড়ির কাটাগুলো যেন
একুরিয়ামে বন্দি মাছেদের মতোই চুপ হয়ে গেছে।
ফেরিঅলার সমস্ত ব্যস্ত দিন শেষে
তারই মত কান্তির সকল চিহৃ নিয়ে
স্থির আছে এই শীতের রাতের বৈদ্যুতিক পাখা।
ধূলি জমা ঝালড়ের শরীরের
অযতনে বেড়ে চলেছে মাকড়সার বাসা।

পাশের করাত কল নিঃশব্দে ঘুমিয়ে পড়ে
রাতের অন্ধকারের প্রাধাণ্য বাড়লেই
কাছাকাছি মশলা মিলের কড়া গন্ধ
জোনাকি পোকারা বয়ে নিয়ে গেছে অন্ধ এই রাতে
দানব ট্রাকের পিঠে করে।
পেটুক গ্রাম্যজনের মত
ঠক্ ঠক্ ঠক্ শব্দে টেবিল ঘড়িটা
নাক ডেকে যাচ্ছে একাধারে।
আমার ঘরের কম্পিউটার
রোজ রাতে আমার আগেই কান্ত হয়ে শুয়ে পড়ে।
মোবাইল স্ক্রীনে আর কোনো প্রিয় নাম্বার হঠাৎ
মনের পর্দায় ভেসে উঠা কোনো আপনজনের
স্মৃতির মত; ভেসে উঠে না।
ঘরের প্রতিটি আলো
নিভে গেছে
দু চোখের এই নির্গত আলো প্রতিফলিত হয়ে
পাশের যে ঘুমন্ত প্রাণির ছবি আঁকবে-
এমনটা কোন কালেই ছিল না।

ঘরের সব যন্ত্র আমার ঘুমিয়ে গেছে।

অটোবায়োগ্রাফিঃ শরৎকাল/সুমন আজাদ

শেকড়; তা যতই বিশ্লেষণাত্বক হউক না কেন_ প্রান্তিকতার ব্যাপারটা সেখানেই থাকে।

বাল্যকাল ছড়িয়ে রয়েছে চা-পাতার ফাঁকে

সেখান থেকেই বয়েস কুড়িয়ে

কৈশোর রচনা করেছে যৌবনসময়।



যৌবনসময় এখন হাত ধরে হাঁটে

বড় ইস্কুলের।

ইস্কুলের সহপাঠিগন জানে

রাখালমন সবুজ আর ছায়ানীলপ্রেমি,

ক্লাস নোট তাই হয়ে যায়_

এক টুকরো সবুজ, জলঢেউ আর

ঘুড়ি উড়ানো দুপুর।

উড়ণচণ্ডি

উড়ণচণ্ডি/সুমন আজাদ

স্বপ্ন ডিঙিয়ে অবাক পতন পৃথিবীর বুকে...

আমি রাজপুত্র নই; অলস ভিখিরি
ভিার পাত্রে প্রতি রাতে এক নারী
রেখে যায় খোলে_
তার নিজস্ব সভ্যতা; তার ইতিউতি
আমি কি আর ও-সব বুঝি!
অবুঝ পুরুষ হয়ে রেখে দিই
পাঁজড়ের পাশে তার সব স্মৃতি।